1. admin@paharerkatha.com : paharer katha : paharer katha
  2. info@paharerkatha.com : পাহাড়ের কথা :
রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১২:৫৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
লামায় সরকারি, প্রাতিষ্ঠানিক ও উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্ত  বান্দরবানে অবৈধ সকল ইটভাটা বন্ধ রাখার নির্দেশ লোহাগাড়ায় নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কারসহ চোর আটক লামায় প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত আটক লামায় আমতলী কমিউনিটি ক্লিনিক’র নব নির্মিত ভবন উদ্বোধন লামায় প্রাকৃতিক দূর্যোগে আগাম প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম পরিকল্পনা বৈধকরণ সভা বান্দরবানে অক্সিজেন সংযোগে বিলম্বে ইমানুয়েল মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ রামুতে বাস ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৩ জন কুতুব‌দিয়ায় এন‌সি‌পি নেতার বিরু‌দ্ধে মামলা বাংলাদেশি ১৪ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি রাঙামাটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত লামায় রিজিয়ন কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট’র উপজেলা পর্যায়ের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত আলীকদম বিজিবি’র উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ প্রদান মিয়ানমারের অভ্যান্তরে মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা যুবক গুরুতর আহত লামায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের মূল্যায়ন, সমাপনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

দীঘিনালার দুর্গম গ্রামে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের পাকা ঘর

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ জুন, ২০২৩
  • ৩২৪ বার পড়া হয়েছে

 

দীঘিনালা প্রতিনিধি ।

 

দীঘিনালা উপজেলার বোয়ালখালী ইউনিয়নের দূর্গম চাপ্পাপাড়া গ্রাম। এ গ্রামে বিদ্যুতের আলো পৌছায়নি। পিছিয়ে পড়া গ্রামের সবাই নিম্ন আয়ের লোকজন। সম্প্রতি এ গ্রামে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের পাকা ঘর ৭টি পরিবারকে প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া উপজেলা প্রশাসন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে একটি ডিপ টিউবওয়েল প্রদান করা হয়েছে। যাতে করে গ্রামবাসী সহজেই পানি উত্তোলন করতে পারেন। তার জন্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি জেনারেটর প্রদান করা হয়েছে। এখন এ গ্রামের ৩০টি পরিবারের বিশুদ্ধ পানির সমস্যা সমাধান হয়েছে।

চাপ্পাপাড়া গ্রামের পাশাপাশি উপজেলার ৬০টি গ্রামের ৫০০ হতদরিদ্র পরিবারকে পাকা ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানায় উপজেলা প্রশাসন। ওই গ্রামগুলোতেও পাকা ঘরের বাসিন্দাদের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদ্যুৎ ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ ছাড়া গ্রামের নারীদের স্বাবলম্বী করে তুলতে প্রশিক্ষণ ও বিনামূল্যে সেলাই মেশিনও দেওয়া হয়েছে।

এ সময় চাপ্পাপাড়ার রিন বালা ত্রিপুরা মেশিনে কাপড় সেলাই করতে করতে বলেন, ‘আমার ঘরটি একেবারেই ভাঙাচোরা ছিল। স্বামী বানেশ্বর ত্রিপুরা দিনমজুর। বৃষ্টি হলে ঘরে পানি ঢুকত। ছেলে-মেয়েদের বই খাতা ভিজে যেত। এখন পাকা ঘরে অনেক সুখে আছি। বাড়ির উঠানেই সুপেয় পানির ব্যবস্থা হয়েছে।’

সম্প্রতি উপজেলার চাপ্পাপাড়া গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামের নারীরা কলসি নিয়ে ট্যাংক থেকে পানি সংগ্রহ করছেন। পানি নিতে আসা ক্ষমাতি ত্রিপুরা (২৬) বলেন, ‘পাকা ঘরের পাশাপাশি আমাদের পানির কষ্ট দূর হয়েছে।’

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরাফাতুল আলম বলেন, ‘চাপ্পাপাড়া গ্রামের অধিকাংশ মানুষ হতদরিদ্র। সেখানে পাকা ঘর নির্মাণের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে গভীর নলকূপ ও পানির ট্যাংক স্থাপন করে দেয়া হয়েছে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট