1. admin@paharerkatha.com : paharer katha : paharer katha
  2. info@paharerkatha.com : পাহাড়ের কথা :
রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
লামায় সরকারি, প্রাতিষ্ঠানিক ও উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্ত  বান্দরবানে অবৈধ সকল ইটভাটা বন্ধ রাখার নির্দেশ লোহাগাড়ায় নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কারসহ চোর আটক লামায় প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত আটক লামায় আমতলী কমিউনিটি ক্লিনিক’র নব নির্মিত ভবন উদ্বোধন লামায় প্রাকৃতিক দূর্যোগে আগাম প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম পরিকল্পনা বৈধকরণ সভা বান্দরবানে অক্সিজেন সংযোগে বিলম্বে ইমানুয়েল মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ রামুতে বাস ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৩ জন কুতুব‌দিয়ায় এন‌সি‌পি নেতার বিরু‌দ্ধে মামলা বাংলাদেশি ১৪ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি রাঙামাটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত লামায় রিজিয়ন কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট’র উপজেলা পর্যায়ের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত আলীকদম বিজিবি’র উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ প্রদান মিয়ানমারের অভ্যান্তরে মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা যুবক গুরুতর আহত লামায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের মূল্যায়ন, সমাপনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

চোরাই মালামাল হজমকারী ধরাছোঁয়ার বাহিরে;আটক ৩ পাচারকারী

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১৯০ বার পড়া হয়েছে

 

স্টাফ রিপোর্টার

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারাস্হ মালুমঘাট বাজারের অসংখ্য চোরাই মালামাল হজমকারী ও হাতেনাতে ধরা পড়া ভাংগারি ব্যবসায়ী কফিল উদ্দিনকে রহস্যজনক কারণে পুলিশ আর পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তার নজরের বাহিরে।যদিও চোরাই বৈদ্যুতিক মালামাল উদ্ধার মামলায় তার নাম থাকলেও কেন তাকে আটক করা হচ্ছে না প্রশ্ন সচেতন মহলের।তবে বৈদ্যুতিক চোরাই মালামাল উদ্ধার মামলার ৩ পাচারকারীকে মালামাল উদ্ধারের ৪দিনের মাথায় আটক করায় পুলিশের নামে এলাকায় প্রশংসাও করা হচ্ছে।

ভাংগারি ব্যবসায়ী-কফিল উদ্দিন,উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের উত্তর মেদাকচ্ছপিয়া এলাকার আব্দুর রহিমের ছেলে।সে মালুমঘাট বাজারের ভাংগারি দোকানর ব্যবসায়ী।তার বিরুদ্ধে অসংখ্য চোরাই মালামাল হজম করার অভিযোগ রয়েছে।
আটক পাচারকারীরা হলেন,চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের উত্তর মেদাকচ্ছপিয়া ছৈয়দ করিম(মোর্শেদ),ঈদগাঁও উপজেলার তৌহিদুল ইসলাম ও পার্বত্য লামার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের কুমারী এলাকার রেজাউল করিম ইমন।

খুটাখালী পল্লী বিদ্যুৎ তদন্ত কেন্দ্রের ইনর্চাজ মোঃরফিকুল ইসলাম ও ডুলাহাজারা তদন্ত কেন্দ্রের ইনর্চাজ অচিন্ত কুমার মল্লিক জানান,গত ১১ অক্টোবর মালুমঘাট বাজারে ফিশারীঘাট কফিলের ভাংগাারি দোকানের সামনে ট্রাকে ভাংগারি মালামাল তোলার সময় চুরি হওয়া বৈদ্যুতিক মালামাল উদ্ধার করি।তৎমধ্য ছিল স্ট্রীল ক্রমআর্ম ৩টি,স্ট্রীল ব্রেস ৬টি,ক্রমআর্সপিন ৬টি,ডাবল আমিং বোল্ট ২টি ও মেশিন বোল্ট ২টি উদ্ধার করি।তবে চুরি হওয়া ১০স্পেন তার এখনো উদ্ধার করতে পারেনি।সন্ধান পেতে চলছে গোপন অভিযান।

নাম৷ প্রকাশে অনিচ্ছুক স্হানীয় বেশকিছু লোকেরা জানান,ভাংগারি ব্যবসায়ী কফিল চোরাই মালামাল হজম করে বলেই এলাকাতে চোরের উপদ্রব বেড়ে গেছে।গত ২/১ মাস আগে কফিলের দোকান থেকে রাবার মাড়াই মেশিনও উদ্ধার করা হয়।জানি না তার খুঁটির জোর কোথায়? এর আগে পরেও অনেক বার চোরাই মালামাল উদ্ধার নিয়ে বেশ কয়েকবার শালিস হয়েছে।তবু সে নিরবে ব্যবসা করতে পারাটা রহস্যময় মনে করছেন এলাকাবাসী।

চকরিয়া থানার এসআই কামরুল বলেন,ভাংগারি দোকান থেকে বৈদ্যুতিক চোরাই মালামাল উদ্ধারের,পরে বৈদ্যুতিক কর্তৃপক্ষ থানায় মামলা রুজু করে।তখন আমি গোপনে খোঁজ নিয়ে প্রথমে বৈদ্যুতিক মালামাল চোর মোর্শেদকে আটক করি।তার জবানবন্দি মতে তার থেকে ক্রয় করা ভ্যান চালক ফেরি ব্যবসায়ী তৌহিদ আর ইমনকেও আটক করেছি।তবে চোরাই মালামাল হজমকারী কফিলকেও দ্রুত ধরা হবে।সে পলাতক তাই আরো দোষ জানতে তদন্ত চলছেl

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট