1. admin@paharerkatha.com : paharer katha : paharer katha
  2. info@paharerkatha.com : পাহাড়ের কথা :
মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
লামা উপজেলা শহরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান লামা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উদযাপন রাখাইনে জান্তার বিমান হামলায় নিহত ৩১ লামায় নারী ও কন্যাশিশুদের প্রতি সহিংসতা বন্ধে ১৬ দিনের প্রচারাভিযান সম্পন্ন সাতকানিয়া-লোহাগাড়া মানবিক ফাউন্ডেশনের ফ্রি চিকিৎসা সেবা আলীকদমে অনুষ্ঠিত হলো ‘ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স আল্ট্রা ম্যারাথন’ লামা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক বছরে ৪৫৭ নরমাল ডেলিভারি লামায় ইটভাটায় প্রশাসনের অভিযান, ৪ ইটভাটাকে ৮ লক্ষ টাকা জরিমানা নাইক্ষ্যংছড়িতে বিএনপির দুই নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার আলীকদমের কুরুকপাতা ইউনিয়নে ‘বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ’র কমিটি ঘোষণা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট শান্তিচুক্তির ২৮ বছর, যা বলছে জেএসএস আজ থেকে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে! তিন পার্বত্য জেলার স্কুলে বসছে স্টারলিংক সংযোগ

কাপ্তাই লেকে ভেসে ওঠা চড়ে মৌসুমি ফলে আশার আলো বুনছেন চাষিরা

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৩
  • ৬০৪ বার পড়া হয়েছে
কাপ্তাই প্রতিনিধি |

রাঙামাটি কাপ্তাই লেকের ভেসে ওঠা চড়ে মৌসুমি ফলের সমারোহ। আশার আলো বুনছেন মৌসুমি চাষিরা। ফিরে ফিরে একটি বছর অপেক্ষা করতে থাকে কাপ্তাই লেকের পাশে বসবাসকারী মৌসুমি চাষিরা। কখন লেকর পানি কমবে। লেকের জেগে ওঠা ডুবোচড়ে পানি হ্রাস পাওয়ার সাথে সাথে মৌসুমি চাষিরা তাদের ফলন ফলিয়ে থাকে। ভারী বর্ষণ না হওয়া পর্যন্ত ভেসে ওঠা কাপ্তাই হ্রদে প্রায় ৫/৬মাস যাবত মৌসুমি ফসল ফলে।

ধান, তরমুজ, মিষ্টি কুমড়া, বড়কটি, ঢেঁড়স, ডাঁটাশাক, পুঁইশাক, লাউশাক, টমেটোসহ বিভিন্ন প্রজাতির মৌসুমী ফসল ফলিয়ে থাকে। আর এ ফসল ফলিয়ে ঋণ করা টাকা শোধ করতে হয়। ছেলে-মেয়েদের স্কুল-কলেজের বকেয়া টাকা শোধ করাসহ নতুন পরিকল্পনা করা হয়।

অনেক উপজাতি কৃষক জানান, আমরা অপেক্ষার প্রহর গুনি, কখন লেকের পানি কমবে। আর আমরা মৌসুমে ফসল ফলিয়ে সে ফসল বিক্রয় করে থাকি। বিক্রয়ের টাকা দিয়ে ১ বৈশাখ পালনসহ সংসারের বিভিন্ন কাজকর্ম করে থাকি।

বিলাইছড়ি মৌসুমি চাষি অংখই মারমা জানান, এবার ধানসহ পাশাপাশি বিভিন্ন সবজি চাষ করেছি। ইতোমধ্যে তা বিক্রয় করে ভাল অর্থ পেয়েছি।

কেংড়াছড়ির রফিক জানান, মিষ্টি কুমড়া, ঢেঁড়স, বরবটি, লাউ মাশআল্লাহ ভাল ফসল হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ২০/৩০ হাজার টাকার মত বিক্রয় করেছি। এখনও বিভিন্ন ফসল বিক্রয়ের অপেক্ষায় আছি।

কাপ্তাই খলিল, শাহাবুদ্দীন, রমিজ জানান, বিভিন্ন ফসল বুনে ইতোমধ্যে খরচ উঠে গেছে। তবে লাভের আশা করছি। তাদের দেখার পাশাপাশি এবার নতুনভাবে অনেকেই নতুনভাবে ফসল ফলিয়েছে বলে জানান তারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট