1. admin@paharerkatha.com : paharer katha : paharer katha
  2. info@paharerkatha.com : পাহাড়ের কথা :
মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:২১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
সাতকানিয়া-লোহাগাড়া মানবিক ফাউন্ডেশনের ফ্রি চিকিৎসা সেবা আলীকদমে অনুষ্ঠিত হলো ‘ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স আল্ট্রা ম্যারাথন’ লামা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক বছরে ৪৫৭ নরমাল ডেলিভারি লামায় ইটভাটায় প্রশাসনের অভিযান, ৪ ইটভাটাকে ৮ লক্ষ টাকা জরিমানা নাইক্ষ্যংছড়িতে বিএনপির দুই নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার আলীকদমের কুরুকপাতা ইউনিয়নে ‘বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ’র কমিটি ঘোষণা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট শান্তিচুক্তির ২৮ বছর, যা বলছে জেএসএস আজ থেকে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে! তিন পার্বত্য জেলার স্কুলে বসছে স্টারলিংক সংযোগ কক্সবাজারের গ্রামে গ্রামে ভোটারসহ সাধারণ মানুষের ভালবাসায় সিক্ত সালাহ উদ্দিন আহমদ লামায় এইডস প্রতিরোধে জনসচেতনতা মূলক প্রদর্শনী ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন আলীকদমে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৮ বছর পূর্তি উদযাপন থানচির দুর্গম পাহাড়ের বুলুপাড়ায় ৫৭ বিজিবি’র অর্থায়নে প্রাথমিক বিদ্যালয়

বৃষ্টিতে চা বাগানে ফিরেছে সবুজ প্রাণ

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৩
  • ৫০৪ বার পড়া হয়েছে

মো. এমরান হোসেন, ফটিকছড়ি |

ফটিকছড়ির ১৮ চা বাগানে প্রকৃতি যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে। গত ২৯ মার্চ বৃষ্টিতে গাছ গাছালি ও পত্রপল্লব থেকে রুক্ষতা মুছে গেছে। চা বাগানগুলোতে গেলে প্রকৃতির এই রূপান্তর সহজেই অনুভ‚ত হয়। কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলেন, দীর্ঘ খরা পরিস্থিতির পর এই বৃষ্টি যেন আশীর্বাদ হিসেবেই নেমেছে। সাধারণত ডিসেম্বর মাসে কয়েক পশলা বৃষ্টিপাত হয়, কিন্তু এবার ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রæয়ারি মাসে বৃষ্টি হয়নি। টানা খরা চলে ফেনী জেলার চেয়েও বড় এ উপজেলায় । ২০ মার্চ সামান্য বৃষ্টি হলেও তাতে চা- বাগানগুলো থেকে রুক্ষতা কাটেনি। অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ২৯ মার্চে বৃষ্টি হলে চা বাগানের স্বস্তি ফিরে আসে। এই বৃষ্টির ফলে পুর্নিং (আগা ছাঁটাই) করা চা-গাছে দ্রæত গজাতে শুরু করবে। এতে খুশি চা-বাগান সংশ্লিষ্টরা। জানা গেছে, বর্তমানে দেশের ১৬২টি চা বাগানের মধ্যে ২১টি রয়েছে চট্টগ্রামে। তৎমধ্য ফটিকছড়ি উপজেলাতে রয়েছে ১৮টি চা বাগান। দেশের মোট চায়ের ১০ শতাংশ উৎপাদন হয় ফটিকছড়ির চা বাগান থেকে। প্রকৃতির অপররূপ সৌন্দর্য্যে ভরপুর ৩০৮ বর্গমাইলের ফটিকছড়ি উপজেলার পাহাড়ি এলাকা জুড়ে গড়ে উঠে এসব চা বাগান। ফটিকছড়ির চা বাগানগুলো হচ্ছে- কর্ণফুলি চা বাগান, কৈয়াছড়া চা বাগান, উদালিয়া চা বাগান, বারমাসিয়া চা বাগান, এলাহীনুর চা বাগান, রাঙাপানি চা বাগান, আছিয়া চা বাগান, নাছেহা চা বাগান, আধার মানিক চা বাগান, দাঁতমারা চা বাগান,  নিউ দাঁতমারা চা বাগান, হালদা ভ্যালী চা বাগান, পঞ্চবটি চা বাগান, মা জান চা বাগান, মোহাম্মদ নগর চা বাগান, নেপচুন চা বাগান, রামগড় চা বাগান ও চৌধুরী টি স্টেট। চট্টগ্রাম চা সংসদ এসোসিয়েশনের সদস্য, রাঙাপানি চা বাগানের ম্যানাজার উৎপল বিশ্বাস বলেন, বৃষ্টির কারণে চা বাগানে সুবজ প্রাণ ফিরে পেয়েছে । বাগানে এই বৃষ্টিতে বিশেষভাবে উপকৃত হয়। চট্টগ্রামে চা এর প্রথমে নিলাম ১৭ এপ্রিল হতে যাচ্ছে আর দ্বিতীয় নিলাম ২ মে হবার কথা রয়েছে বলে তিনি জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট