1. admin@paharerkatha.com : paharer katha : paharer katha
  2. info@paharerkatha.com : পাহাড়ের কথা :
শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
রাঙ্গামাটির আসামবস্তি-কাপ্তাই সড়কে পিকআপ খাদে পড়ে নিহত ২ শ্রমিক লামায় বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ও সামাজিক বনায়ন উপকারভোগী ৭৫ জনের মাঝে চেক বিতরণ লামায় ক্যান্সার আক্রান্ত জয়নাল আবেদীন’র চিকিৎসায় এগিয়ে আসার অনুরোধ লামায় নির্বাচনী আচরণ বিধি অবহিতকরণ লামায় চিল্ড্রেন হ্যাভেন ট্রাস্ট স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত নাইক্ষ্যংছড়িতে অবৈধ করাতকলের ৭ মালিককে জরিমানা এমবিবিএস কোর্সে ভর্তির সুযোগ পেল লামার কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজ’র ৪ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি শিক্ষার্থী লামায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী কাইংপা মুরুং পুলিশের হাতে বন্দুক সহ গ্রেফতার বান্দরবানের রোয়াংছড়ি থানার তারাছা পুলিশ ক্যাম্প পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আলীকদমে শিক্ষকের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ফাঁসিয়াখালীতে অতি দরিদ্র শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ ফাইতংয়ে মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শামসুল আলম স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত লামায় ফাইতং সড়কের বেহাল অবস্থা, মেরামতের দাবিতে আন্দোলন লামায় একটি চক্র সুবিধা না পেয়ে পরিকল্পিত অপপ্রচার ইউএনও’র বিরুদ্ধে লামায় ‘ফেস্টিভ ইলেকশন ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত

কেএনএফ আতঙ্কে পালিয়ে আসা উপজাতীয়দের খাদ্য ও চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে সেনাবাহিনী

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৩
  • ৩৯৯ বার পড়া হয়েছে

 

বান্দরবান প্রতিনিধি |

কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট ( কেএনএফ) সদস্যদের ভয়ে পালিয়ে আসা ২০ পরিবার খিয়াং সম্প্রদায়ের লোকজনের মাঝে খাবার ও চিকিৎসা ব্যবস্থা করা হয়েছে। রুমা সেনা জোন ও উপজেলা প্রশাসন এ মানবিক ব্যবস্থা করেছেন। উল্লেখ্য, বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার ১নং রোয়াংছড়ি সদর ইউপির খামতাং পাড়ায় প্রতিপক্ষের সাথে কেএনএফ এর গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয় জন প্রতিনিধিরা জানায়, বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) রাতে এ গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এতে খামতাং পাড়ার লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। ফলে নিরাপত্তা আশ্রয় নিতে শুক্রবার রুমা সদরে চলে আসে তারা। বর্তমানে রুমা সদরে বম কমিউনিটি সেন্টারে আশ্রয় নিয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ শাহরিয়ার মাহমুদ মঞ্জু বলেন, রুমা সদরে বম কমিউনিটি সেন্টারে আশ্রয় নেয়া মোট পরিবার সংখ্যা ২০টি, পরিবারের জনসংখ্যা মোট ৬৪জন। তার মধ্যে পুরুষ ৩১জন, নারী ৩০জন ও শিশু ৩জন।

এদিকে রোয়াংছড়ি থানা থেকেও একটি উদ্ধারকারী দল বন্দুক যুদ্ধের ঘটনাস্থলে পৌঁছে। পরবর্তীতে স্পেশাল পেট্রোল দলটি গত ৬ এপ্রিল খামতাং পাড়ার যে স্থানে কেএনএফ সশস্ত্র দল এবং প্রতিপক্ষ দলের মধ্যে গোলাগুলি হয়েছিল সে স্থান থেকে তল্লাশি চালিয়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় নিহত ৮টি লাশের সন্ধান পান। তবে এই প্রতিপক্ষ জেএসএস সংস্কার না ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক সূত্র তা নিশ্চিত করতে পারেনি।

রোয়াংছড়ি থানা থেকে মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান (ওসি, রোয়াংছড়ি থানা) এর নেতৃত্বে ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি পুলিশের তদন্তকারী দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা করে লাশ উদ্ধার করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট