1. admin@paharerkatha.com : paharer katha : paharer katha
  2. info@paharerkatha.com : পাহাড়ের কথা :
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:১৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
রাঙ্গামাটির আসামবস্তি-কাপ্তাই সড়কে পিকআপ খাদে পড়ে নিহত ২ শ্রমিক লামায় বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ও সামাজিক বনায়ন উপকারভোগী ৭৫ জনের মাঝে চেক বিতরণ লামায় ক্যান্সার আক্রান্ত জয়নাল আবেদীন’র চিকিৎসায় এগিয়ে আসার অনুরোধ লামায় নির্বাচনী আচরণ বিধি অবহিতকরণ লামায় চিল্ড্রেন হ্যাভেন ট্রাস্ট স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত নাইক্ষ্যংছড়িতে অবৈধ করাতকলের ৭ মালিককে জরিমানা এমবিবিএস কোর্সে ভর্তির সুযোগ পেল লামার কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজ’র ৪ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি শিক্ষার্থী লামায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী কাইংপা মুরুং পুলিশের হাতে বন্দুক সহ গ্রেফতার বান্দরবানের রোয়াংছড়ি থানার তারাছা পুলিশ ক্যাম্প পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আলীকদমে শিক্ষকের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ফাঁসিয়াখালীতে অতি দরিদ্র শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ ফাইতংয়ে মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শামসুল আলম স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত লামায় ফাইতং সড়কের বেহাল অবস্থা, মেরামতের দাবিতে আন্দোলন লামায় একটি চক্র সুবিধা না পেয়ে পরিকল্পিত অপপ্রচার ইউএনও’র বিরুদ্ধে লামায় ‘ফেস্টিভ ইলেকশন ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামে অতি ঝুঁকিপূর্ণ ৫৩১টি ভবন!

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৬ মার্চ, ২০২৩
  • ৫৪৯ বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।

অতি ঝুঁকিপূর্ণ বহুতল ভবন ঢাকার চেয়ে চট্টগ্রামে বেশি। চাহিদার তাগিদে বাড়ছে বহুতল ভবন নির্মাণ। অথচ ভবন নির্মাণে মানা হচ্ছে না নিরাপত্তা নির্দেশিকা। এসব ভবনে অগ্নিকাণ্ডসহ যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলে পরিস্থিতি সামাল দেয়া কঠিন। বর্তমানে অগ্নিনিরাপত্তায় অতিঝুঁকিপূর্ণ এসব ভবন। ফায়ার সার্ভিসের তথ্য বলছে, ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তারা ৫ হাজার ৫৬৭টি বহুতল ভবন পরিদর্শন করেছেন। এর মধ্যে আবাসিক ভবনের পাশাপাশি রয়েছে বাণিজ্যিক ভবন, হাসপাতাল, শিল্প-কারখানা ও অন্যান্য শ্রেণীভুক্ত ভবন। ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শনে চিহ্নিত হয়েছে নিরাপত্তা নির্দেশনা উপেক্ষা করে নির্মিত ৫৩১টি অতিঝুঁকিপূর্ণ এবং ১ হাজার ২৯২টি ঝুঁকিপূর্ণ বহুতল ভবন।

২০২২ সালে চট্টগ্রামে বহুতল আবাসিক, বাণিজ্যিক, হাসপাতাল, শিল্পকারখানা ও অন্যান্য শ্রেণিভুক্ত ভবন মিলে ৩১৬টি সরকারি ও ১ হাজার ৩৬০টি বেসরকারি ভবন মিলে ১ হাজার ৬৭৬টি ভবন পরিদর্শন করেছে ফায়ার সার্ভিস। এর মধ্যে ৬৭৭টি সন্তোষজনক হলেও ৪৪৭টি ঝুঁকিপূর্ণ ও ৪৬৩টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ। এক বছরে চট্টগ্রামের বহুতল, বাণিজ্যিক ও অন্যান্য ভবন এবং বিপণিকেন্দ্রের মধ্যে ৯৭১টি সরকারি ও ১ হাজার ৯১০টি বেসরকারি ভবন মিলে ২ হাজার ৭৪৫টি ভবনে মহড়া এবং ১০৮টি সরকারি ও ২৫৭টি বেসরকারি ভবনে সার্ভে করেছে ফায়ার সার্ভিস।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অবস্থানগত কারণে রিখটার স্কেলে সাত দশমিক পাঁচ থেকে আট দশমিক পাঁচ মাত্রার বড় ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে আছে চট্টগ্রাম। এই মাত্রায় ভূমিকম্প হলে নগরীর দেড় লাখ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন তাঁরা। এক্ষেত্রে ভূমিকম্প সহনীয় নয়, এমন ভবন চিহ্নিত করে সম্ভাব্য ক্ষতি এড়াতে এখনই প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।

স্থপতি ও নগর বিশেষজ্ঞ ইকবাল হাবিব বলেন, যদি নবায়নযোগ্য কমপ্লায়েন্স সার্টিফিকেট দেয়ার ব্যবস্থা থাকত, প্রতি বছর পরিদর্শন করে যদি সার্টিফিকেট দেয়া হতো, তাহলে হয়তো ঝুঁকি কমতো। চট্রগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস্ বলেন, চট্টগ্রামে অসংখ্য ভবন, বিপণিবিতান অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকিতে আছে। ভবনগুলো চিহ্নিত করার কাজ আমরা শিগগিরই শুরু করব।
ফায়ার সার্ভিসের চট্টগ্রাম বিভাগের উপ পরিচালক মো, আবদুল হালিম বলেন, ঢাকার মতো চট্টগ্রামের ফায়ার সার্ভিসেও আধুনিক সব সরঞ্জাম রয়েছে। যদিও জনবল সঙ্কট রয়েছে। তবে সবচেয়ে বড় কথা, অগ্নিনির্বাপণের চেয়ে অগ্নিসচেতনতাই জরুরি। বিল্ডিং কোড, গাইড লাইন মেনে চলা। তাহলে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের সংখ্যা কমে আসবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট