1. admin@paharerkatha.com : paharer katha : paharer katha
  2. info@paharerkatha.com : পাহাড়ের কথা :
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:২০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
আলীকদম বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসা দিলেন চট্টগ্রাম লায়ন্স ফাউন্ডেশন ও জেকো ফাউন্ডেশন কানাডা লামায় সড়ক দূর্ঘটনায় ১জন নিহত, আহত ৪ লামার মুক্তিযোদ্ধা হেলু মিয়ার নাতি আকাশ দূর্ঘটনায় নিহত বান্দরবানের ছাত্রাবাস থেকে নিখোঁজ ম্রো শিক্ষার্থী, আড়াই মাস ধরে খুঁজে ফিরছেন বাবা ফের ভুমিকম্পে কাঁপলো দেশ লামা ডেপলাপমেন্ট ফাউন্ডেশন’র উদ্যোগে ডেংগু প্রতিরোধ সচেতনতা প্রথমবার ঢাকায় যাচ্ছে বান্দরবানের ম্রো শিশুরা লামায় জাতীয় প্রাণি সম্পদ সেবা সপ্তাহ উপলক্ষ্যে ৭দিন ব্যাপী কর্মসূচীর উদ্ভোধন নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির অভিযানে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার লামায় আন্তর্জাতিক দিবস : ‘নারীর প্রতি সহিংসতা দূরীকরণ’ উপলক্ষ্যে আলোচনা রাঙামাটি জেলা পরিষদ কমপ্লিট শাটডাউন রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু এলাকা যেন গো-চারণ ভূমি পর্যটন মৌসুমেও খাগড়াছড়িতে পর্যটক সংকট বান্দরবান রেমাক্রি ও নাফাখুম খুলে দেওয়ার দাবি বান্দরবানের ২৫০ শয্যা হাসপাতাল ৬ বছরেও চালু হয়নি, রোগীদের দুর্ভোগ বাড়ছে

বান্দরবান রেমাক্রি ও নাফাখুম খুলে দেওয়ার দাবি

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে
বান্দরবান প্রতিনিধি | 
বান্দরবানের থানচি উপজেলার আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য নাফাখুম, রেমাক্রিসহ সব পর্যটন স্থান খুলে দেওয়ার দাবিতে ট্যুরিস্ট গাইড সমিতির নেতারা স্মারকলিপি দিয়েছেন। জেলা প্রশাসক বরাবর দেওয়া স্মারকলিপিতে বলা হয়, সব গন্তব্য খুলে না দেওয়ায় পর্যটননির্ভর উপজেলার মানুষ চরম অর্থনৈতিক সংকটে দিনযাপন করছেন।

রবিবার তিনটায় থানচি থেকে পর্যটনসংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের একটি দল জেলা শহরে আসে। এদের মধ্যে ট্যুরিস্ট গাইড, হোটেল ও রেস্টুরেন্ট মালিক, নৌকা ও যানবাহন চালক সমিতির নেতা-কর্মীরা রয়েছেন। তাঁরা মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান। জেলা প্রশাসকের হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন।

থানচি ট্যুরিস্ট গাইড কল্যাণ সমিতির সভাপতি পাইথুই খেয়াং-এর স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, থানচিতে কুকি-চীন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) সন্ত্রাসীরা গত বছরের ৩ এপ্রিল ব্যাংক ডাকাতি করে। তখন থেকে থানচি উপজেলায় পর্যটন বন্ধ রয়েছে। গত ৫ জুন উপজেলাসংলগ্ন তুমাতঙ্গী ও তিন্দু বড় পাথর এলাকা থেকে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ রেমাক্রি ঝরনা, নাফাখুম ও আরও অনেক পর্যটন গন্তব্য থেকে পর্যটক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়নি। এর ফলে পর্যটনসংশ্লিষ্ট ট্যুরিস্ট গাইড, যানবাহন ও নৌকাচালক, হোটেল-রেস্টুরেন্ট মালিক-কর্মচারীরা চরম আর্থিক সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জানতে চাইলে ট্যুরিস্ট গাইড কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মামুন বলেন, এমনিতে অধিকাংশ পর্যটন আকর্ষণ বন্ধ হওয়ায় তাঁরা সংকটে রয়েছেন, তারপর আবার নিরাপত্তার নামে পর্যটকদের হয়রানি, ট্যুরিস্ট গাইডদের হেনস্তা করা হয়। এ জন্য ট্যুরিস্ট গাইডরা গত বুধবার থেকে কর্মবিরতি পালন করছেন।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি বলেন, তিনি ট্যুরিস্ট গাইডদের কথা শুনেছেন। থানচির সার্বিক পরিস্থিতি জানতে চেয়েছেন। স্মারকলিপিতে দাবি করা পর্যটন গন্তব্য খুলে দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট