1. admin@paharerkatha.com : paharer katha : paharer katha
  2. info@paharerkatha.com : পাহাড়ের কথা :
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
রাঙ্গামাটির আসামবস্তি-কাপ্তাই সড়কে পিকআপ খাদে পড়ে নিহত ২ শ্রমিক লামায় বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ও সামাজিক বনায়ন উপকারভোগী ৭৫ জনের মাঝে চেক বিতরণ লামায় ক্যান্সার আক্রান্ত জয়নাল আবেদীন’র চিকিৎসায় এগিয়ে আসার অনুরোধ লামায় নির্বাচনী আচরণ বিধি অবহিতকরণ লামায় চিল্ড্রেন হ্যাভেন ট্রাস্ট স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত নাইক্ষ্যংছড়িতে অবৈধ করাতকলের ৭ মালিককে জরিমানা এমবিবিএস কোর্সে ভর্তির সুযোগ পেল লামার কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজ’র ৪ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি শিক্ষার্থী লামায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী কাইংপা মুরুং পুলিশের হাতে বন্দুক সহ গ্রেফতার বান্দরবানের রোয়াংছড়ি থানার তারাছা পুলিশ ক্যাম্প পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আলীকদমে শিক্ষকের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ফাঁসিয়াখালীতে অতি দরিদ্র শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ ফাইতংয়ে মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শামসুল আলম স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত লামায় ফাইতং সড়কের বেহাল অবস্থা, মেরামতের দাবিতে আন্দোলন লামায় একটি চক্র সুবিধা না পেয়ে পরিকল্পিত অপপ্রচার ইউএনও’র বিরুদ্ধে লামায় ‘ফেস্টিভ ইলেকশন ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত

লামায় কাজুবাদাম ও কপি চারা উৎপাদন করে প্রকল্পে চারা সরবরাহ নিয়ে বিপাকে নার্সারী মালিক : ৩ কোটি টাকা ক্ষতির আশঙ্কা

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৫৭৪ বার পড়া হয়েছে
লামায় নার্সারীতে উৎপাদিত কাজু বাদাম ও কপি চারার একাংশ। -লামা প্রতিনিধি।

বাবু মং মার্মা, লামা | 
বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি কুমারী চাককাটা এলাকায় এক ব্যক্তি ৩ লক্ষ কাজুবাদাম ও কপি চারা উৎপাদন করেছেন। কৃষি বিভাগের ‘কাজু বাদাম ও কপি গবেষণা, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ’ প্রকল্পের বিভিন্ন প্রদর্শনীতে সরবরাহের লক্ষে এ চারা উৎপাদন করা হয়। কিন্তু এ প্রকল্পে চারা সরবরাহ করতে না পেরে মহা বিপাকে পড়েছেন তিনি। চলতি মৌসুমে প্রকল্পের প্রদর্শনীতে চারাগুলো সরবরাহ করা না গেলে ক্ষতি হবে তিন কোটি টাকা। উৎপাদিত চারা সংগ্রহের জন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খামার বাড়ি ঢাকাস্থ প্রকল্প পরিচালক বরাবরে আবেদনও করেছেন নার্সারি মালিক নুর মোহাম্মদ।
জানা যায়, সরকার দেশের জনগনের কর্ম সংস্থান ও পুষ্টি চাহিদা মেটানোর লক্ষে বাৎসরিক ১৫ হাজার টন কাজু বাদাম উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নিয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ‘কাজু বাদাম ও কপি গবেষণা, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ’ নামের একটি প্রকল্প গ্রহণ করে। ২০২১ সাল থেকে বিদেশ থেকে উন্নত জাতের বীজ আমদানির মাধ্যমে চারা উৎপাদন করে উল্লেখিত প্রকল্পে সরবরাহ করে আসছে মেসার্স এন.আর মেরিন এন্ড সার্ভিসেস ও এন.আর অগ্রো রিসোর্স নামের একটি প্রতিষ্ঠান। অন্য বছরের মত চলতি ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের জন্যও এ প্রতিষ্ঠানটি দেড় লক্ষ কাজু বাদাম ও দেড় লক্ষ কপি চারা উৎপাদন করে। চারাগুলো এখনিই জমিতে কিংবা পাহাড়ে লাগানোর উপর্যুক্ত সময়। চলতি মৌসুমের মধ্যে চারাগুলো প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের মাঝে সরবরাহ করতে না পারলে বা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমিতে রোপন করতে না পারলে দেশের কৃষি উন্নয়ন ব্যাঘাতের পাশাপাশি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন চারা উৎপাদনকারী প্রতিষ্টানটি।
উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের চাষী তৈদুরাম ত্রিপুরা বলেন, হর্টিকালচারের সহযোগিতায় ১০ একর পাহাড়ি জমিতে কপি চাষ করেছি। গত কয়েক বছর ধরে এখাানের উৎপাদিত কপি প্রক্রিয়া জাত শেষে এখন দেশের বিভিন্ন স্থানে বাজার জাত হচ্ছে। এ সফলতা দেখে ইতিমধ্যে উপজেলায় সরকারী-বেসরকারীভাবে আরও শত শত কৃষক কপি ও কাজু বাদাম চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন বলে জানান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুকুমার দেওয়ানজী।
সরেজমিন উপজেলার কুমারী নীচ পাড়া-ফাঁসিয়াখালী সড়কের চাক কাটাস্থ নুর মোহাম্মদের নার্সারীতে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের পাশেই প্রায় ৫ একর জমি জুড়ে রয়েছে কাজু বাদাম ও কপি চারা। চারাগুলোর বয়স প্রায় এক বছর। এতে ৩ লক্ষ চারা রয়েছে। প্রতিদিন ১৫-২০জন শ্রমিক নার্সারীর চারাগুলো পরিচর্যা করছেন বলে জানান কর্মরত শ্রমিক আবুল কাশেম।
চারা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধিকারী নুর মোহাম্মদ বলেন, বিগত কযেক বছর ধরে আমি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রদর্শনীর জন্য কপি ও কাজু বাদাম চারা সরবরাহ করে আসছি। এ ধারাবাহিকতায় চলতি মৌসুমেও চাহিদা মোতাবেক তিন লক্ষ চারা উৎপাদন করেছি। উৎপাদিত চারাগুলোর বয়স প্রায় এক বছর হয়ে গেছে। কিন্তু চারাগুলো এখনো প্রকল্পে সরবরাহ করতে পারিনি। চলতি বর্ষা মৌসুমে চারাগুলো প্রকল্পে সরবরাহের মাধ্যমে পাহাড়-জমিতে রোপন করা না হলে অকেজো হয়ে পড়বে। এতে আমি প্রায় ৩ কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হবো। আর দেনার দায়ে আমাকে বাড়ি ঘর ছেড়ে পালাতে হবে। কারণ সরকারী বেসরকারী বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্টান থেকে ঋণ নিয়ে চারাগুলো উৎপাদন করেছি।
এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খামার বাড়ি ঢাকার ‘কাজু বাদাম ও কপি গবেষণা, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক শহীদুল ইসলাম জানায়, কাজুবাদাম ও কপি চারা ক্রয়ের চাহিদা ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রেরণের পাশাপাশি নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সরকার পট পরিবর্তনের কারণে বরাদ্দ অনুমোদনে কিছুটা দেরী হচ্ছে। আশা করি চলতি মাসের মধ্যে চারা ক্রয়ের বরাদ্দ অনুমোদন পাওয়া যাবে। বরাদ্দ সাপেক্ষে চারাগুলো সংগ্রহ করা হবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট