1. admin@paharerkatha.com : paharer katha : paharer katha
  2. info@paharerkatha.com : পাহাড়ের কথা :
শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
রাঙ্গামাটির আসামবস্তি-কাপ্তাই সড়কে পিকআপ খাদে পড়ে নিহত ২ শ্রমিক লামায় বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ও সামাজিক বনায়ন উপকারভোগী ৭৫ জনের মাঝে চেক বিতরণ লামায় ক্যান্সার আক্রান্ত জয়নাল আবেদীন’র চিকিৎসায় এগিয়ে আসার অনুরোধ লামায় নির্বাচনী আচরণ বিধি অবহিতকরণ লামায় চিল্ড্রেন হ্যাভেন ট্রাস্ট স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত নাইক্ষ্যংছড়িতে অবৈধ করাতকলের ৭ মালিককে জরিমানা এমবিবিএস কোর্সে ভর্তির সুযোগ পেল লামার কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজ’র ৪ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি শিক্ষার্থী লামায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী কাইংপা মুরুং পুলিশের হাতে বন্দুক সহ গ্রেফতার বান্দরবানের রোয়াংছড়ি থানার তারাছা পুলিশ ক্যাম্প পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আলীকদমে শিক্ষকের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ফাঁসিয়াখালীতে অতি দরিদ্র শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ ফাইতংয়ে মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শামসুল আলম স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত লামায় ফাইতং সড়কের বেহাল অবস্থা, মেরামতের দাবিতে আন্দোলন লামায় একটি চক্র সুবিধা না পেয়ে পরিকল্পিত অপপ্রচার ইউএনও’র বিরুদ্ধে লামায় ‘ফেস্টিভ ইলেকশন ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত

লামায় সরকারের ওএমএস চাল পাচ্ছে না নিম্ন আয়ের মানুষ

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ১৯২ বার পড়া হয়েছে

লামা প্রতিনিধি |

বান্দরবান পার্বত্য জেলার লামা পৌরসভায় সরকারের ওএমএস কেন্দ্রে এসে খালি হাতে ফিরে যেতে হয় অসংখ্য নিম্ন আয়ের মানুষকে। চাহিদার তুলনায় ওএমএস চালের বরাদ্দ খুবই অপ্রতুল হওয়ায় দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। দীর্ঘক্ষন সাধারণ দরিদ্র মানুষকে ওএমএস কেন্দ্রের চালের জন্য এসে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে খালি হাতে বাড়ী ফিরে যেতে হচ্ছে। পাহাড়ী ও পিছিয়ে পড়া অঞ্চল বিবেচনায় ওএমএস চালের বরাদ্দ বৃদ্ধির জন্য খাদ্য উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করছে সাধারন মানুষ।

অর্ধ লক্ষাধিক মানুষের এই লামা পৌরসভায় সরকারের ন্যায্য মূল্যের ওএমএস এর ৬টি কেন্দ্র রয়েছে। সপ্তাহে ৫ দিনে প্রতিদিন ২ মে. চাল ২টি কেন্দ্রে বিক্রয় করা হয়। ছোট নুনার বিল পাড়ায় পলি দাশ (৪০), লাইন ঝিরি ছরোয়ার উদ্দিন (৩৮) ও লামা মুখ এলাকায় উথোয়াই মার্মা (৩০) জানান, বর্তমানে চালের মূল্য বেশী। ওএমএস কেন্দ্রে দীর্ঘক্ষন দাঁড়িয়ে থেকে খালি হাতে বাড়ী ফিরে যেতে হচ্ছে। বাজার থেকে উচ্চ মূল্যে চাল কিনে খাওয়া আমাদের ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে।

লামা পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মোঃ সাইফুদ্দিন জানান, প্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দ কম হওয়ায়, দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ চাল পাচ্ছে না। কেন্দ্রে এসে বেশিরভাগ মানুষ চাল না পেয়ে ফেরত যাচ্ছে। বাজার থেকে চাল কিনতে নিম্ন আয়ের এই মানুষগুলো হিমশিম খাচ্ছে। লামা পৌরসভার সাব্কে মেয়র আমির হোসেন জানান, পাহাড়ী এলাকায় চালের সংকট এমনিতেই বেশী। তাছাড়া এলাকায় গরীব ও নিম্ন আয়ের মানুষের সংখ্যা বেশী। সরকার ওএমএস এর যে বরাদ্দ দিচ্ছে তা প্রয়োজণের তুলনায় খুবই অপ্রতুল। পৌরসভার প্রতিটি বিক্রয় কেন্দ্রে চাহিদা মোতাবেক চাল বরাদ্দ করার জন্য তিনি সরকারের কাছে দাবি জানান।

লামা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. সেলিম হেলালী জানান, সরকার লামা পৌরসভার জন্য প্রতিদিন ২ মে. টন ওএমএস চাল বরাদ্দ দিয়েছেন। তবে চালের যথেষ্ট চাহিদা আছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট