1. admin@paharerkatha.com : paharer katha : paharer katha
  2. info@paharerkatha.com : পাহাড়ের কথা :
শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
রাঙ্গামাটির আসামবস্তি-কাপ্তাই সড়কে পিকআপ খাদে পড়ে নিহত ২ শ্রমিক লামায় বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ও সামাজিক বনায়ন উপকারভোগী ৭৫ জনের মাঝে চেক বিতরণ লামায় ক্যান্সার আক্রান্ত জয়নাল আবেদীন’র চিকিৎসায় এগিয়ে আসার অনুরোধ লামায় নির্বাচনী আচরণ বিধি অবহিতকরণ লামায় চিল্ড্রেন হ্যাভেন ট্রাস্ট স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত নাইক্ষ্যংছড়িতে অবৈধ করাতকলের ৭ মালিককে জরিমানা এমবিবিএস কোর্সে ভর্তির সুযোগ পেল লামার কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজ’র ৪ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি শিক্ষার্থী লামায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী কাইংপা মুরুং পুলিশের হাতে বন্দুক সহ গ্রেফতার বান্দরবানের রোয়াংছড়ি থানার তারাছা পুলিশ ক্যাম্প পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আলীকদমে শিক্ষকের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ফাঁসিয়াখালীতে অতি দরিদ্র শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ ফাইতংয়ে মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শামসুল আলম স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত লামায় ফাইতং সড়কের বেহাল অবস্থা, মেরামতের দাবিতে আন্দোলন লামায় একটি চক্র সুবিধা না পেয়ে পরিকল্পিত অপপ্রচার ইউএনও’র বিরুদ্ধে লামায় ‘ফেস্টিভ ইলেকশন ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত

লামা পৌরসভায় বন্যা ও পাহাড় ধ্বসে ৪ হাজার পরিবারের ১০০ কোটি টাকার ক্ষতি

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৩
  • ৩৯৫ বার পড়া হয়েছে

লামা প্রতিনিধি |
বান্দরবানের লামা পৌরসভা মেয়র মো. জহিরুল ইসলাম বলেছেন, সম্প্রতি প্রবল বর্ষণের ফলে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে সৃষ্ট স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা ও পাহাড় ধ্বসে পৌরসভা এলাকার ৪ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে সম্পূর্ণ ঘর বিধস্থ হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ২০০ পরিবার ও আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয় ৫০০ পরিবার। এছাড়া ১ হাজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়। বন্যার পরবর্তী সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের নিয়ে শনিবার বিকেলে লামা প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলাস্থ বীর বাহাদুর হলরুমে আয়োজিত মতবিনিময়কালে এ ক্ষতির পরিমাণ তুলে ধরেন তিনি। এ সময় তিনি আরও জানান, পৌরসভার অভ্যন্তরীন বিভিন্ন সড়ক ভেঙ্গে চলাচল অনুপোযোগী হয়ে পড়ে। ৮৫ ভাগ আবাদী জমির ফসল নষ্ট হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী দপ্তর সহ অসংখ্য গবাদি পশু ও হাঁস বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। এছাড়া এলাকার নব্বই ভাগ রিংয়েল, টিউবওয়েল ও মৎস্য চাষের পুকুর বনায় প্লাবিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০০ কোটি টাকা। বন্যা পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ২ হাজার ৯শ পরিবারের মাঝে খাদ্য শস্য ও ২০০ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে বলেও জানান পৌরসভা মেয়র মো. জহিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ, বান্দরবান জেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ বন্যা কবলিতদের মানবিক সহায়তা করেছেন।
মতবিনিময়কালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রদীপ কান্তি দাশ, পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন বাদশা, মোহাম্মদ রফিক, মো. সাইফুদ্দিন, উশৈথোয়াই মার্মা, মরিয়ম বেগম, সাকেরা বেগম, প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রিয়দর্শী বড়–য়া ও সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামন, পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী জুলকার নাঈম মানিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট