1. admin@paharerkatha.com : paharer katha : paharer katha
  2. info@paharerkatha.com : পাহাড়ের কথা :
শুক্রবার, ০২ মে ২০২৫, ০৬:৩২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
আলীকদমে পারিবারিক কলহে বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা, হাসপাতালে ভর্তি ৩ জন লামায় বিকল্প কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে আরো ৫ জেলে পেলেন ২০টি উন্নত জাতের ছাগল লামায় এপেক্স ক্লাবের শিক্ষা সামগ্রী পেল শিক্ষার্থীরা লামায় জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালন আলীকদমে অবৈধভাবে পাহাড় কাটার দায়ে দুই জনকে জরিমানা বান্দরবানে ২১ কিলোমিটার হিল ম্যারাথন অনুষ্ঠিত লোহাগাড়া প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ও সাউন্ড হেলথ হাসপাতালের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি বান্দরবানের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে খাদ্যশষ্য প্রদান করলেন আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কেএস মং রাঙ্গামাটিতে তরুণী ধর্ষণ মামলায় এক যুবক আটক খাগড়াছড়িতে অপহরণের ৭ দিন পর চবি’র ৫ শিক্ষার্থী মুক্ত বিদ্যুৎ চলে গেলেই ঘুটঘুটে অন্ধকারে লামা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, রোগীদের দুর্ভোগ লামায় নিবন্ধিত জেলেরা পেলেন বিনামূল্যে উন্নত জাতের ছাগল লামায় ‘কার্প জাতীয় মাছের মিশ্র চাষ’ বিষয়ক রিফ্রেসার্স প্রশিক্ষণ সম্পন্ন লামায় “ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্ট বিষয়ক” প্রশিক্ষণ চকরিয়া ভূয়া নৌবাহিনী সদস্য পরচিয়ে প্রতারণায় এক দম্পতি গ্রপ্তোর

শিকড় থেকে শৈল্পিক আসবাবপত্র!

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৩
  • ৩৫৫ বার পড়া হয়েছে
 মোহাম্মদ ইলিয়াছ, বান্দরবান (দক্ষিণ)  

সাধারণ কাজগুলো তার যেন মন টানেই না। ছোট কাল থেকেই ব্যতিক্রমী কাজ করতে পছন্দ করতেন তিনি। আর সেই ব্যতিক্রমী কাজ খুঁজতে গিয়ে নতুন শৈল্পিক আসবাবপত্রের আবিষ্কার করে ফেলেন। যেগুলো গাছের শিকড় থেকে তৈরি হয়। বলছি কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার সুরাজপুর মানিকপুর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার আজিজুর রহমানের কথা।

আজিজুর পাহাড়ি শিকড় থেকে তৈরি করা শৈল্পিক আসবাবপত্রগুলো প্রথম দেখাতেই যে কাউকে অবাক করে দেবে। আজিজুর রহমান প্রায় ৮ বছর আগে শখের বসে শুরু করেন শিকড় থেকে আসবাবপত্র তৈরির কাজ। কিন্তু এটি যে তার পেশা হিসেবে পরিণত হবে এবং রীতিমতো দেশে সাড়া ফেলবে কল্পনাও করেননি।

পাহাড়ের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সংগ্রহ করে নিয়ে আসেন বিভিন্ন গাছের শিকড়। তারপরে শুরু হয় এই শিকড়গুলোকে যন্ত্রপাতি দিয়ে শৈল্পিক আসবাবপত্রে রূপ দেওয়ার চেস্টা করেন। আস্তে আস্তে তৈরি হয় চেয়ার, টেবিল, খাটপালং এমনকি বাসনকোসনও।

সুরাজপুর-মানিকপুর রোডের পাশেই আজিজুর রহমানের বাড়ি। এই বাড়ির আঙ্গিনায় বসে তিনি এই আসবাবপত্রগুলো তৈরি করেন এবং বাড়ির একটি বড় রুমে ভাজে ভাজে সাজিয়ে রাখেন।

আজিজুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, চেস্টা করি সবসময় ব্যতিক্রমী কিছু করার জন্য। সেই ব্যতিক্রমী কাজ খুঁজতে গিয়ে কখন যে শিকড় থেকে আসবাবপত্র তৈরি করে ফেললাম বুঝতেই পারিনি। এখন আর কোন কাজ করি না। শুধু শিকড় থেকে আসবাবপত্রই তৈরি করি। বর্তমানে আমার পরিবার চলে মূলত এই পেশার ইনকাম দিয়ে।

আজিজুর রহমান আরো বলেন, সরকার যদি এই ক্ষুদ্র শিল্পের প্রতি একটু সুনজর দেয় তাহলে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজারেও এই শৈল্পিক কাজগুলো তুলে ধরতে পারবো।

সুরাজপুর মানিকপুর ইউনিয়নর চেয়ারম্যান আজিমুল হক আজিমও তার ব্যাপারে ভয়সী প্রশংসা করে বলেন, তার সঙ্গে একদিন বিয়ের দাওয়াত খেয়ে ফেরার সময় দেখলাম নদীর পাড়ে তার চোখ গেলো একটি শিকড়ের উপরে।

পরে সে শিকড়টা ঘরে এনে সুন্দর একটি ডাইনিং টেবিল তৈরি করে যেটি রীতিমতো সবাইকে অবাক করে দেয়। শৈল্পিক কাজের প্রতি তার যে ভালোবাসা যদি সে সরকারি বা বেসরকারি কোন সহযোগিতা পায় তাহলে তার এই শৈল্পিকতাকে আরো বৃহৎ আকারে নিয়ে যেতে পারবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট