বান্দরবান জেলা সদর ২৫০ শয্যা হাসপাতালটি এখনো চালু হয়নি। প্রশাসনিক সহ নানা জটিলতায় হাসপাতাল ভবনটি পড়ে আছে অচলাবস্থায়। প্রতিদিনই শয্যা সংকটসহ নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সেবা নিতে আসা সাধারণ রোগীদের। এতে বাড়ছে দুর্ভোগ। নির্মাণের ৬ বছর পার হলেও প্রশাসনের জটিলতার কারণে আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত নতুন এ ভবন চালু করা যাচ্ছেনা বলে জানান কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, বান্দরবান জেলার কয়েক লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবার প্রধান আশ্রয়স্থল জেলা এ হাসপাতাল । ২০১৯ সালে হাসপাতালটিকে ১০০ শয্যা থেকে আড়াইশো শয্যায় উন্নীত করার প্রকল্প হাতে নেয় সরকার । ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে শেষ হয় নির্মাণ কাজ। নতুন আড়াইশো শয্যার ভবনে রাখা হয়েছে আইসিইউ, সিসিইউ, আইসোলেশন ওয়ার্ড, সার্জারি ইউনিট, গাইনি ওয়ার্ডসহ আধুনিক চিকিৎসা অবকাঠামো। তবে জনবল সংকটে এখনো চালু হয়নি এটি।
আড়াইশো শয্যার ভবনটি চালু না হওয়ায় পুরনো একশ শয্যার ভবনেই চলছে জেলার কয়েক লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা। এখানে নেই আইসিইউ কিংবা সিসিইউর মতো জরুরি সেবা। ফলে সামান্য জটিল রোগের ক্ষেত্রেও রোগীদের পাঠানো হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এতে সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় পড়তে হয় মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষকে।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা জানান, ডাক্তারের সংকট রয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিমাণে জায়গা নেই। রোগীর তুলনায় হাসপাতালে জায়গা খুবই কম। নতুন হাসপাতাল দ্রুত চালু করার দাবি রোগীদের। প্রশাসনিক অনুমোদন ও জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হলেই দ্রুতই আধুনিক ২৫০ শয্যার এ হাসপাতালটি চালু করা সম্ভব হবে বলে জানালেন সিভিল সার্জন।
বান্দরবান সিভিল সার্জন ডা. শাহীন হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘২৫০ শয্যার হাসপাতাল চালু করার জন্য অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ রয়েছে। অবকাঠামোগত দিক দিয়ে শেষ হলেও বৈদ্যুতের সংযোগ, পানির সংযোগ সঙ্গে জনবল প্রয়োজন। এসব কাজ শেষ করতে পারলে আমরা দ্রুত হাসপাতাল খুলে দিতে পারব।’












প্রধান সম্পাদক : বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রিয়দর্শী বড়ুয়া,
সম্পাদক : মো. নুরুল করিম আরমান,
আইন বিষয়ক উপদেষ্ঠা : এ্যডভোকেট ফয়সাল আজিজ