1. admin@paharerkatha.com : paharer katha : paharer katha
  2. info@paharerkatha.com : পাহাড়ের কথা :
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
আলীকদম বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসা দিলেন চট্টগ্রাম লায়ন্স ফাউন্ডেশন ও জেকো ফাউন্ডেশন কানাডা লামায় সড়ক দূর্ঘটনায় ১জন নিহত, আহত ৪ লামার মুক্তিযোদ্ধা হেলু মিয়ার নাতি আকাশ দূর্ঘটনায় নিহত বান্দরবানের ছাত্রাবাস থেকে নিখোঁজ ম্রো শিক্ষার্থী, আড়াই মাস ধরে খুঁজে ফিরছেন বাবা ফের ভুমিকম্পে কাঁপলো দেশ লামা ডেপলাপমেন্ট ফাউন্ডেশন’র উদ্যোগে ডেংগু প্রতিরোধ সচেতনতা প্রথমবার ঢাকায় যাচ্ছে বান্দরবানের ম্রো শিশুরা লামায় জাতীয় প্রাণি সম্পদ সেবা সপ্তাহ উপলক্ষ্যে ৭দিন ব্যাপী কর্মসূচীর উদ্ভোধন নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির অভিযানে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার লামায় আন্তর্জাতিক দিবস : ‘নারীর প্রতি সহিংসতা দূরীকরণ’ উপলক্ষ্যে আলোচনা রাঙামাটি জেলা পরিষদ কমপ্লিট শাটডাউন রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু এলাকা যেন গো-চারণ ভূমি পর্যটন মৌসুমেও খাগড়াছড়িতে পর্যটক সংকট বান্দরবান রেমাক্রি ও নাফাখুম খুলে দেওয়ার দাবি বান্দরবানের ২৫০ শয্যা হাসপাতাল ৬ বছরেও চালু হয়নি, রোগীদের দুর্ভোগ বাড়ছে

বান্দরবানের ২৫০ শয্যা হাসপাতাল ৬ বছরেও চালু হয়নি, রোগীদের দুর্ভোগ বাড়ছে

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৫৯ বার পড়া হয়েছে
বান্দরবান প্রতিনিধি | 

বান্দরবান জেলা সদর ২৫০ শয্যা হাসপাতালটি এখনো চালু হয়নি। প্রশাসনিক সহ নানা জটিলতায় হাসপাতাল ভবনটি পড়ে আছে অচলাবস্থায়। প্রতিদিনই শয্যা সংকটসহ নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সেবা নিতে আসা সাধারণ রোগীদের। এতে বাড়ছে দুর্ভোগ। নির্মাণের ৬ বছর পার হলেও  প্রশাসনের জটিলতার কারণে  আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত নতুন এ ভবন চালু করা যাচ্ছেনা বলে জানান কর্তৃপক্ষ। 

জানা গেছে, বান্দরবান জেলার কয়েক লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবার প্রধান আশ্রয়স্থল জেলা এ হাসপাতাল । ২০১৯ সালে হাসপাতালটিকে ১০০ শয্যা থেকে আড়াইশো শয্যায় উন্নীত করার প্রকল্প হাতে নেয় সরকার । ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে শেষ হয় নির্মাণ কাজ। নতুন আড়াইশো শয্যার ভবনে রাখা হয়েছে আইসিইউ, সিসিইউ, আইসোলেশন ওয়ার্ড, সার্জারি ইউনিট, গাইনি ওয়ার্ডসহ আধুনিক চিকিৎসা অবকাঠামো। তবে জনবল সংকটে এখনো চালু হয়নি এটি।

আড়াইশো শয্যার ভবনটি চালু না হওয়ায় পুরনো একশ শয্যার ভবনেই চলছে জেলার কয়েক লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা। এখানে নেই আইসিইউ কিংবা সিসিইউর মতো জরুরি সেবা। ফলে সামান্য জটিল রোগের ক্ষেত্রেও রোগীদের পাঠানো হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এতে সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় পড়তে হয় মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষকে।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা জানান, ডাক্তারের সংকট রয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিমাণে জায়গা নেই। রোগীর তুলনায় হাসপাতালে জায়গা খুবই কম। নতুন হাসপাতাল দ্রুত চালু করার দাবি রোগীদের। প্রশাসনিক অনুমোদন ও জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হলেই দ্রুতই আধুনিক ২৫০ শয্যার এ হাসপাতালটি চালু করা সম্ভব হবে বলে জানালেন সিভিল সার্জন।

বান্দরবান সিভিল সার্জন ডা. শাহীন হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘২৫০ শয্যার হাসপাতাল চালু করার জন্য অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ রয়েছে। অবকাঠামোগত দিক দিয়ে শেষ হলেও বৈদ্যুতের সংযোগ, পানির সংযোগ সঙ্গে জনবল প্রয়োজন। এসব কাজ শেষ করতে পারলে আমরা দ্রুত হাসপাতাল খুলে দিতে পারব।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট