1. admin@paharerkatha.com : paharer katha : paharer katha
  2. info@paharerkatha.com : পাহাড়ের কথা :
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
আলীকদম বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসা দিলেন চট্টগ্রাম লায়ন্স ফাউন্ডেশন ও জেকো ফাউন্ডেশন কানাডা লামায় সড়ক দূর্ঘটনায় ১জন নিহত, আহত ৪ লামার মুক্তিযোদ্ধা হেলু মিয়ার নাতি আকাশ দূর্ঘটনায় নিহত বান্দরবানের ছাত্রাবাস থেকে নিখোঁজ ম্রো শিক্ষার্থী, আড়াই মাস ধরে খুঁজে ফিরছেন বাবা ফের ভুমিকম্পে কাঁপলো দেশ লামা ডেপলাপমেন্ট ফাউন্ডেশন’র উদ্যোগে ডেংগু প্রতিরোধ সচেতনতা প্রথমবার ঢাকায় যাচ্ছে বান্দরবানের ম্রো শিশুরা লামায় জাতীয় প্রাণি সম্পদ সেবা সপ্তাহ উপলক্ষ্যে ৭দিন ব্যাপী কর্মসূচীর উদ্ভোধন নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির অভিযানে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার লামায় আন্তর্জাতিক দিবস : ‘নারীর প্রতি সহিংসতা দূরীকরণ’ উপলক্ষ্যে আলোচনা রাঙামাটি জেলা পরিষদ কমপ্লিট শাটডাউন রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু এলাকা যেন গো-চারণ ভূমি পর্যটন মৌসুমেও খাগড়াছড়িতে পর্যটক সংকট বান্দরবান রেমাক্রি ও নাফাখুম খুলে দেওয়ার দাবি বান্দরবানের ২৫০ শয্যা হাসপাতাল ৬ বছরেও চালু হয়নি, রোগীদের দুর্ভোগ বাড়ছে

রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু এলাকা যেন গো-চারণ ভূমি

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি | 
রাঙামাটি শহরের অন্যতম জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান ঝুলন্ত সেতু। এখানে প্রতি বছর লাখ লাখ পর্যটক আসেন প্রকৃতি উপভোগ করতে এবং শহরের সৌন্দর্য দেখতে। সম্প্রতি এই সেতু এলাকায় বেড়ে গেছে গবাদি পশুর অবাধ বিচরণ। সেতুর ওপরে হাঁটতে গেলে পর্যটকদের পিছু ছাড়ছে না গবাদিপশুর দল।

সেতু এলাকায় গিযে দেখা যায়, সেতুতে ঘুরে বেড়াচ্ছে ছাগল ও কুকুর। এদের যন্ত্রনায় অতিষ্ট পর্যটকরা। বিশেষ করে কোনো পর্যটক সেতুতে দাঁড়িয়ে কিছু খেতে গেলেই যুদ্ধ করতে হয় এসব প্রাণিদের সঙ্গে। যতক্ষণ পর্যন্ত সেই খাবার তাকে না দেয়া হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত রীতিতম পথ রোধ করে রাখে। এতে বেশি বিপদে পড়তে হয় নারী ও শিশুদের।

শুধু কুকুর বা ছাগলই নয়, এখানে রয়েছে গরুর পাল। সিড়ি, রাস্তা, পর্যটকদের বিশ্রামস্থল থেকে শুরু করে ভাসমান দোকানের সামনেসহ সব স্থানেই এদের অবাদ বিচরণ। দেখে মনে হতে পারে এটি কোনো বিনোদন কেন্দ্র নয়, যেন গো চারণ ভূমি। জেলার পর্যটন শিল্পের আইকনিক স্থানের এমন বেহাল দশায় হতাশ দর্শনার্থীরা। ভাসমান ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি বেড়লেও কোনো অনুশোচনা নেই পশু মালিকের।

শায়লা আক্তার বলেন, আমি বাচ্চাকে নিয়ে বেশ ভয়ে আছি, পশুগুলো যেভাবে আমাদের ঘিরে ধরেছিল, আমার বচ্চা ভয়ে কান্না করেছে। দেশের আইকনিক স্থানে এমন কোনো ভাবেই কাম্য নয়। করপোরেশনের পদক্ষেপ নেয়া উচিৎ। এখানে কেন গবাদি পশু থাকে? আমরা যদি এদের দ্বারা আঘাত প্রাপ্ত হই তবে সে দায় কে নিবে?

ভাসমান ব্যবসায়ী সালাম হোনেস বলেন, গরু ছাগল কারণে চরম কষ্টের মধ্যে আছি। পর্যটকদের হাত থেকে খাবার নিয়ে যায়। দিকবিদিক দৌড়াদৌড়ি করে। এছাড়া দোকানে খাবারের প্যাকেটও নিয়ে যায়। এগুলো আশেপাশের বাসিন্দারা লালন পালন করেন। এদের ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা দেয়ার দাবি জানাচ্ছি।

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, রাঙামাটি শাখার ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা পশু মালিকদের কয়েকজনকে নোটিশ দিয়েছি। পাশাপাশি রাঙ্গামাটি পৌরসভাকে চিঠি দিয়েছি তারা যাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। খুব দ্রুতই এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। সূত্র-পাহাড় সমুদ্র

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট