1. admin@paharerkatha.com : paharer katha : paharer katha
  2. info@paharerkatha.com : পাহাড়ের কথা :
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
রাঙ্গামাটির আসামবস্তি-কাপ্তাই সড়কে পিকআপ খাদে পড়ে নিহত ২ শ্রমিক লামায় বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ও সামাজিক বনায়ন উপকারভোগী ৭৫ জনের মাঝে চেক বিতরণ লামায় ক্যান্সার আক্রান্ত জয়নাল আবেদীন’র চিকিৎসায় এগিয়ে আসার অনুরোধ লামায় নির্বাচনী আচরণ বিধি অবহিতকরণ লামায় চিল্ড্রেন হ্যাভেন ট্রাস্ট স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত নাইক্ষ্যংছড়িতে অবৈধ করাতকলের ৭ মালিককে জরিমানা এমবিবিএস কোর্সে ভর্তির সুযোগ পেল লামার কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজ’র ৪ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি শিক্ষার্থী লামায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী কাইংপা মুরুং পুলিশের হাতে বন্দুক সহ গ্রেফতার বান্দরবানের রোয়াংছড়ি থানার তারাছা পুলিশ ক্যাম্প পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আলীকদমে শিক্ষকের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ফাঁসিয়াখালীতে অতি দরিদ্র শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ ফাইতংয়ে মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শামসুল আলম স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত লামায় ফাইতং সড়কের বেহাল অবস্থা, মেরামতের দাবিতে আন্দোলন লামায় একটি চক্র সুবিধা না পেয়ে পরিকল্পিত অপপ্রচার ইউএনও’র বিরুদ্ধে লামায় ‘ফেস্টিভ ইলেকশন ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত

বান্দরবানের ছাত্রাবাস থেকে নিখোঁজ ম্রো শিক্ষার্থী, আড়াই মাস ধরে খুঁজে ফিরছেন বাবা

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২৩৬ বার পড়া হয়েছে

লামার সরইয়ের বাড়িতে যাওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু বাড়ি যায়নি। এর পর থেকে ছেলের কোনো খোঁজও পাননি সিংপাস ম্রো। ছাত্রাবাস কর্তৃপক্ষও নিখোঁজ ছাত্রের বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে পারেনি তাঁকে।

জেলা শহরের কেন্দ্রবিন্দুতে কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং কলেজের প্রাঙ্গণে ছাত্রাবাস। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের বাসভবন, সদর থানা ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের ঠিক মাঝখানের ছাত্রাবাসটির অবস্থান। সেখান থেকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে রেংনয়া ম্রো নিখোঁজ হয়। কিন্তু কোথায় গেছে ছাত্রাবাস কর্তৃপক্ষের জানা নেই। ছাত্রাবাসের তত্ত্বাবধায়ক আসাদ উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, নিখোঁজের সময়ে তিনি ছুটিতে ছিলেন। সেই সময়ে দায়িত্বে থাকা সুনীল ত্রিপুরা জানিয়েছেন, ছাত্রাবাসে হাজিরা খাতা না থাকায় রেংনয়া ম্রোর নিখোঁজ হওয়ার সঠিক তারিখ বলা যাচ্ছে না।

নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে রেংনয়া ম্রোর সন্ধানে পাগলপ্রায় বাবা সিংপাস ম্রো। আড়াই মাস ধরে ছেলেকে খুঁজছেন তিনি। দুর্গম পাহাড়ি গ্রাম থেকে বান্দরবান শহরে পড়তে গিয়েছিল ছেলে। সেখানে জেলা প্রশাসনের পরিচালনাধীন কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের (বিসিএসসি) ছাত্রাবাসে থাকত সে। দুর্গাপূজার ছুটিতে লামার সরইয়ের বাড়িতে যাওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু বাড়ি যায়নি। এর পর থেকে ছেলের কোনো খোঁজও পাননি সিংপাস ম্রো। ছাত্রাবাস কর্তৃপক্ষও নিখোঁজ ছাত্রের বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে পারেনি তাঁকে।

জেলা শহরের কেন্দ্রবিন্দুতে কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং কলেজের প্রাঙ্গণে ছাত্রাবাস। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের বাসভবন, সদর থানা ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের ঠিক মাঝখানের ছাত্রাবাসটির অবস্থান। সেখান থেকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে রেংনয়া ম্রো নিখোঁজ হয়। কিন্তু কোথায় গেছে ছাত্রাবাস কর্তৃপক্ষের জানা নেই। ছাত্রাবাসের তত্ত্বাবধায়ক আসাদ উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, নিখোঁজের সময়ে তিনি ছুটিতে ছিলেন। সেই সময়ে দায়িত্বে থাকা সুনীল ত্রিপুরা জানিয়েছেন, ছাত্রাবাসে হাজিরা খাতা না থাকায় রেংনয়া ম্রোর নিখোঁজ হওয়ার সঠিক তারিখ বলা যাচ্ছে না।

নিখোঁজ রেংনয়া ম্রোর বাবা সিংপাস ম্রো জেলা প্রশাসকের কাছে এ নিয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, তাঁর ছেলে নিখোঁজের ঘটনায় ছাত্রাবাস তত্ত্বাবধায়ক, সহকারী তত্ত্বাবধায়ক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ দায়ী। তিনি বলেছেন, ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দুর্গাপূজার ছুটি। কিন্তু ছেলে বাড়িতে যায়নি। ছেলে কোথায় জানতে চাইলেও ছাত্রাবাসের কর্তৃপক্ষ জানাতে পারেনি। পরে খোঁজখবর নিয়ে জানা যায় সে নিখোঁজ। ২৭ সেপ্টেম্বর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পর তদন্তে ছেলে রেংনয়াকে সিসিটিভি ক্যামেরায় সর্বশেষ ১১ সেপ্টেম্বর দেখা গেছে। সেই হিসেবে ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর দুর্গাপূজার ছুটি শুরু পর্যন্ত প্রায় ১৪ দিন ছাত্রাবাসে রেংনয়া ছিল না। কিন্তু বিসিএসসি ও ছাত্রাবাস কর্তৃপক্ষ কোনো খোঁজখবর নেয়নি। তাঁরা কেউ রেংনয়া ছাত্রাবাসে না থাকার বিষয়টি জানেন না অথবা না জানার ভান করছেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মান্না দে জানিয়েছেন, রেংনয়া ম্রোর সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ নেওয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, পরিবারের সঙ্গে অভিমান করে সে তার পূর্বপরিচিত কারও সঙ্গে স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে রয়েছে।

কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবু তালেব জানিয়েছেন, ছাত্রাবাসের দায়িত্বপ্রাপ্তদের গাফিলতি রয়েছে। ছাত্রাবাস থেকে নিখোঁজ হওয়ায় প্রশাসন ও পুলিশ সর্বোচ্চ দায়িত্ব নিয়ে খোঁজে বের করার চেষ্টা করছে। সন্ধান পাওয়া গেলে জানা যাবে সে কেন ছাত্রাবাস থেকে কেন বের হয়ে গেছে। সূত্র – দৈনিক প্রথম আলো

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট