1. admin@paharerkatha.com : paharer katha : paharer katha
  2. info@paharerkatha.com : পাহাড়ের কথা :
শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
রাঙ্গামাটির আসামবস্তি-কাপ্তাই সড়কে পিকআপ খাদে পড়ে নিহত ২ শ্রমিক লামায় বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ও সামাজিক বনায়ন উপকারভোগী ৭৫ জনের মাঝে চেক বিতরণ লামায় ক্যান্সার আক্রান্ত জয়নাল আবেদীন’র চিকিৎসায় এগিয়ে আসার অনুরোধ লামায় নির্বাচনী আচরণ বিধি অবহিতকরণ লামায় চিল্ড্রেন হ্যাভেন ট্রাস্ট স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত নাইক্ষ্যংছড়িতে অবৈধ করাতকলের ৭ মালিককে জরিমানা এমবিবিএস কোর্সে ভর্তির সুযোগ পেল লামার কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজ’র ৪ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি শিক্ষার্থী লামায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী কাইংপা মুরুং পুলিশের হাতে বন্দুক সহ গ্রেফতার বান্দরবানের রোয়াংছড়ি থানার তারাছা পুলিশ ক্যাম্প পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আলীকদমে শিক্ষকের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ফাঁসিয়াখালীতে অতি দরিদ্র শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ ফাইতংয়ে মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শামসুল আলম স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত লামায় ফাইতং সড়কের বেহাল অবস্থা, মেরামতের দাবিতে আন্দোলন লামায় একটি চক্র সুবিধা না পেয়ে পরিকল্পিত অপপ্রচার ইউএনও’র বিরুদ্ধে লামায় ‘ফেস্টিভ ইলেকশন ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত

রাঙ্গামাটির ৪ উপজেলায় ম্যালেরিয়ার দাপট..

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৩
  • ৩২৩ বার পড়া হয়েছে
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি |

ডেঙ্গুর আশংকা না থাকলেও পাহাড়ী জেলা রাঙামাটিতে চোখ রাঙাচ্ছে ম্যালেরিয়া। ভারতের মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্তবর্তী রাঙামাটি জেলার ৪টি উপজেলা জুরাছড়ি, বরকল, বাঘাইছড়ি, বিলাইছড়িতে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। এরমধ্যে জুরাছড়ি উপজেলা রয়েছে ম্যালেরিয়ার হটস্পটে। গত জুন মাসেই এই উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ২৩৭। তবে, আশার কথা হচ্ছে কোন মৃুত্যু নেই।
রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে, গত শেষ ৬ মাসে রাঙামাটিতে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা ১৫২১ জন। এরমধ্যে শুধু জুন মাসে শীর্ষে থাকা জুরাছড়িতে আক্রান্তের সংখ্যা ২৩৭ জন। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বাঘাইছড়িতে ১৩৩ জন, এরপর বরকলে ১২৩ ও বিলাইছড়ি ১০৯। জেলার অন্য উপজেলাগুলোতে তুলনামুলক কম আক্রান্ত রয়েছে বলে জানা গেছে। গত মাসে ৫ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেও বর্তমানে মাত্র একজন রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। বাকীরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

স্বাস্থ্য বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, সাধারণত বর্ষা শুরুর আগে, বর্ষার সময় এবং বর্ষার পরে জুন মাস থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ম্যালেরিয়ার প্রকোপ দেখা যায়। রাঙামাটি জেলার ৪টি উপজেলা ভারত সীমান্তবর্তী ও যোগাযোগ দুগর্মতার কারণে স্থানীয়দের চিকিৎসা নিতে বেগ পেতে হচ্ছে। তারপরও ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো নিয়মিত চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছে। সরকার এবছর জেলার ১০ উপজেলাতে এনজিও সংস্থা ব্র্যাকের সহযোগিতায় ৩ লক্ষ ৫০ হাজার মশারী বিতরণ করেছে।

রাঙামাটির সিভিল সার্জন ডা. নিহার রঞ্জন নন্দীর কথায় বর্ষাকালে ম্যালেরিয়া প্রকোপ থাকবেই। ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন বহু মানুষ। তবে সচেতনতার কোন বিকল্প নেই। নিজেদের আশপাশের জায়গাগুলো পরিষ্কার রাখতে হবে। প্রতিটি উপজেলায় স্বাস্থ্য বিভাগের টিম কাজ করছে। প্রয়োজনীয় ঔষধপত্র মজুদ রয়েছে। ম্যালেরিয়া আক্রান্ত এলাকাগুলো গুরুত্বের সাথে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। তিনি জানান, গত এক বছরে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে জেলায় কারও মৃত্যু হয়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট