1. admin@paharerkatha.com : paharer katha : paharer katha
  2. info@paharerkatha.com : পাহাড়ের কথা :
শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:২০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
রাঙ্গামাটির আসামবস্তি-কাপ্তাই সড়কে পিকআপ খাদে পড়ে নিহত ২ শ্রমিক লামায় বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ও সামাজিক বনায়ন উপকারভোগী ৭৫ জনের মাঝে চেক বিতরণ লামায় ক্যান্সার আক্রান্ত জয়নাল আবেদীন’র চিকিৎসায় এগিয়ে আসার অনুরোধ লামায় নির্বাচনী আচরণ বিধি অবহিতকরণ লামায় চিল্ড্রেন হ্যাভেন ট্রাস্ট স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত নাইক্ষ্যংছড়িতে অবৈধ করাতকলের ৭ মালিককে জরিমানা এমবিবিএস কোর্সে ভর্তির সুযোগ পেল লামার কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজ’র ৪ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি শিক্ষার্থী লামায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী কাইংপা মুরুং পুলিশের হাতে বন্দুক সহ গ্রেফতার বান্দরবানের রোয়াংছড়ি থানার তারাছা পুলিশ ক্যাম্প পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আলীকদমে শিক্ষকের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ফাঁসিয়াখালীতে অতি দরিদ্র শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ ফাইতংয়ে মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শামসুল আলম স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত লামায় ফাইতং সড়কের বেহাল অবস্থা, মেরামতের দাবিতে আন্দোলন লামায় একটি চক্র সুবিধা না পেয়ে পরিকল্পিত অপপ্রচার ইউএনও’র বিরুদ্ধে লামায় ‘ফেস্টিভ ইলেকশন ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত

শিক্ষক সংকটে ভুগছে বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৩
  • ২৬৫ বার পড়া হয়েছে

কাপ্তাই  প্রতিনিধি |

পাহাড়ে কারিগরি শিক্ষার প্রসারে ১৯৬৩ সালে রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলায় স্থাপন করা হয় দেশের অন্যতম কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট (বিএসপিআই)। তিন পার্বত্য জেলাসহ সারাদেশে এই প্রতিষ্ঠানের যথেষ্ট সুনাম থাকার ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শিক্ষার্থীরা এই প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করতে আসে।
বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ৬টি ডিপার্টমেন্টে প্রায় ২ হাজার ২শ শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছেন। আর প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী শিক্ষক রয়েছেন মাত্র ১৯ জন। এছাড়া স্টেপ শিক্ষক রয়েছে ১২ জন এবং খন্ডকালীন শিক্ষক রয়েছে প্রায় ১৯ জনের মতো। সংশ্লিষ্টদের দাবী কমপক্ষে ১শ শিক্ষক প্রয়োজন ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানে।

শিক্ষক সংকটের ফলে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টে ক্লাস পরিচালনা করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বিশেষ করে ছয়টি ডিপার্টমেন্ট’র প্রতিটি ডিপার্টমেন্টেই শিক্ষক সংকটে নিয়মিত ক্লাসে ব্যাঘাত ঘটছে। এতে দুর দুরান্ত থেকে আগত শিক্ষার্থীরা মানসম্পন্ন লেখাপড়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা চরম হতাশায় ভুগছেন। তারা সকলেই দ্রুত সময়ে অত্র প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট কাটিয়ে লেখাপড়ার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার আহবান জানিয়েছেন।

সম্প্রতি কাপ্তাই সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে গিয়ে শিক্ষক সংকটের বিষয়ে কথা হয় কয়েকজন শিক্ষার্থীর সাথে। এসময় প্রতিষ্ঠানটির ইলেকট্রিক ডিপার্টমেন্ট এর ৩য় পর্বের ছাত্র রিসাদ মাহমুদ বলেন, আমি এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়ার পর ইচ্ছা জাগে অত্র প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করবো। এবং আমার সেই ইচ্ছা পূরণ হলেও বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করতে এসে বেশ চিন্তিত হয়ে পড়েছি আমি। শিক্ষক সংকটের ফলে আমাদের নিয়মিত ক্লাস হচ্ছে না। এতে সময়টা চলে যাচ্ছে কিন্তু সঠিক জ্ঞান অর্জনে থেকে আমরা বঞ্চিত হচ্ছি।

প্রতিষ্ঠানটির মেকানিক্যাল ডিপার্টমেন্ট এর ৩য় পর্বের ছাত্র আব্দুল মজিদ জানান, শিক্ষক সংকটের ফলে যে বড় সমস্যাটি দেখা দিয়েছে সেটি হলো নিয়মিত ক্লাস না হওয়া। তবে খন্ডকালীন কিছু শিক্ষক দিয়ে মাঝেমাঝে ক্লাস চলমান রাখা হয়। কিন্তু প্রতিটি বিষয় অনুযায়ী স্থায়ী এবং দক্ষ শিক্ষক পেলে প্রতিটি বিষয়ের উপর শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়তো। এতে সবাই উপকৃত হতো।

প্রতিষ্ঠানটির ইলেকট্রিকেল ডিপার্টমেন্ট এর ৩য় পর্বের আরেকজন ছাত্র শরিফ জানান, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি হাতে কলমে আমাদের যেই শিক্ষাটা পাওয়া দরকার সেটি আসলে শিক্ষক সংকটের ফলে আমরা নিয়মিত পাচ্ছি না। বিশেষ করে আমরা অনেক বিষয়ে অজ্ঞ রয়ে যাচ্ছি। তবে আমাদের প্রতিষ্ঠানের স্যারেরা খুবই আন্তরিক, উনারা খুব চেষ্টা করেন আমাদের সঠিক শিক্ষাটা দেওয়ার জন্য। আশা করছি আমরা দ্রুত সময়ে শিক্ষক সংকটের এই সমস্যা কাটিয়ে উঠবো।

এদিকে শিক্ষক সংকটের বিষয়ে কাপ্তাই সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর অটোমোবাইল টেকনোলজি ডিপার্টমেন্টের চীফ ইন্সট্রাক্টর ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রকৌশলী রহমতউল্লাহ বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকটের বিষয়টি আসলেই সত্য। যার ফলে আমাদের শিক্ষা কার্যক্রমে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটছে। আর মন্ত্রনালয়ের বিধি অনুযায়ী এই প্রতিষ্ঠানে ১শত ১৯ জন শিক্ষক থাকার কথা হলেও আমরা স্থায়ী শিক্ষক রয়েছি মাত্র ১৯ জন। বাকীটা স্টেপ শিক্ষক এবং খন্ডকালীন কিছু শিক্ষক রয়েছে তাদের দিয়ে আমরা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।

মন্ত্রণালয়ে ডিমান্ড দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতিমধ্যে আমরা শিক্ষক সংকটের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছি। যেহেতু শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াটি আমাদের হাতে নেই। নিয়োগ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে হয়ে থাকে। নিয়োগ প্রক্রিয়া হয়ে গেলে আশা করছি আমরা দ্রুত সময়ে শিক্ষক সংকটের সমস্যা কাটিয়ে উঠবো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট